আর্কাইভে ফিরে যান
১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
পল্টন এরিয়া, ঢাকা নথিভুক্ত করেছেন

ওসমান হাদির মৃত্যু: ঘটনার ধারাবাহিকতা ও পরবর্তী পরিস্থিতি

সংক্ষিপ্ত বিবরণ

শরীফ ওসমান বিন হাদি, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও যুবনেতা, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ ঢাকার পল্টন এলাকায় অপরিচিতদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। ১৫ ডিসেম্বর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে তিনি ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ মারা যান। তার মৃত্যুর পর বাংলাদেশজুড়ে বিক্ষোভ, হিংসা, সংবাদমাধ্যমের দফতরে আগুন ও রাজনৈতিক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে।

ভুক্তভোগীর তথ্য

শরীফ উসমান বিন হাদি

বয়স: 32পেশা: বাংলাদেশী রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী, লেখক এবং একজন শিক্ষক।

ঘটনার সময়রেখা

১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:২৫ PM

ঢাকার পল্টনে ওসমান হাদীকে গুলি করা হয়

১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:০০ PM

চিকিৎসার জন্য বিমানে করে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৪৫ PM

হাসপাতাল ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় তিনি মারা যান।

১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:০০ AM

দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০০ AM

শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চ আজ থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করবে।

আইনি অবস্থা

এই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত একটি মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে চলছে। বিষয়টি বিচারিক বিবেচনাধীন রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে, বিভিন্ন পর্যায়ে শুনানির সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

মিডিয়া গ্যালারি

শরিফ ওসমান বিন হাদি জুলাই বিপ্লবের একজন বিশিষ্ট নেতা ছিলেন।

শরিফ ওসমান বিন হাদি জুলাই বিপ্লবের একজন বিশিষ্ট নেতা ছিলেন।

জুলাই বিদ্রোহের নেতা, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী, এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন

জুলাই বিদ্রোহের নেতা, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী, এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন

উৎসসমূহ

সর্বশেষ হালনাগাদ: ৩ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০৫:০০ AM