সংক্ষিপ্ত বিবরণ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ির কাছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করার সময় ফেলানী খাতুন নামে এক বাংলাদেশি কিশোরী ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলিবিদ্ধ হয়। সিঁড়ি বেয়ে ওঠার পর কাঁটাতারের বেড়ায় আটকে পড়ে সে; প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুসারে, আটকে থাকা অবস্থায় তাকে গুলি করা হয় এবং তার দেহ ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেড়ায় ঝুলন্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। বেড়ায় ঝুলন্ত তার মৃতদেহের একটি ছবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং সীমান্ত হত্যা এবং জবাবদিহিতা সম্পর্কে আলোচনায় একটি প্রধান প্রতীক হয়ে ওঠে।
ভুক্তভোগীর তথ্য
ফেলানী খাতুন
ঘটনার সময়রেখা
ফেলানী এবং তার পরিবার ভারতের আসামে বসবাস করছিলেন; তারা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন (রিপোর্ট করা প্রসঙ্গে তার বিয়ের প্রস্তুতিও অন্তর্ভুক্ত) এবং বৈধ ভ্রমণ নথি ছাড়াই সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করেন।
ফেলানী এবং তার বাবা অনন্তপুর/ফুলবাড়ির কাছে একটি মই ব্যবহার করে সীমান্ত বেড়া বেয়ে ওঠার চেষ্টা করেন; ফেলানীর পোশাক কাঁটাতারের সাথে আটকে যায়। বিএসএফ কর্মীরা গুলি চালায়; ফেলানী বেড়ার সাথে আটকে থাকা অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হন।
বিএসএফ আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে খালাস দেওয়া হয় (প্রকাশ্যে প্রকাশিত ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩), তারপরে পুনর্বিবেচনা (পুনরায় বিচার) বিচারের আদেশ দেওয়া হয়।
পুনর্বিবেচনা/পুনরায় বিচারের ফলাফলে, বিএসএফ আদালত আবারও খালাসের রায় বহাল রাখে (প্রতিবেদন জুলাই ২০১৫)।
আইনি অবস্থা
মিডিয়া গ্যালারি

ফেলানির মৃতদেহ সাড়ে চার ঘন্টারও বেশি সময় ধরে কাঁটাতারের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল।
উৎসসমূহ
- সংবাদ প্রতিবেদনপ্রথম আলো — “ফেলানী হত্যা মামলা পুনর্বিচারের নির্দেশ”১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
- অন্যান্যWikipedia — “Shooting of Felani Khatun”১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩